বন্ধ হয়ে যেতে পারে যুক্তরাজ্যের ৩০ হাজার পানশালা-রেস্তোরাঁ


পানশালা ও রেস্তোরাঁ

মহামারি করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত গোটা বিশ্ব। অন্যান্য দেশের মতো এ ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে লকডাউনের আওতায় রয়েছে যুক্তরাজ্য। ফলে বিপর্যস্ত দেশটির সেবাখাত। তাই লকডাউনের অবসান হলে দেশটির ৩০ হাজারেরও বেশি রেস্তোরাঁ ও পানশালা চিরতরে বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমনই তথ্য দিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান।

দ্য গাডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হলে ব্যবসায়ী বিভিন্ন সমস্যার মধ্য দিয়ে ব্যবসা কার্যক্রম চালাচ্ছিলেন। তবে এবার ব্যবসায়ীরা স্থায়ীভাবে বন্ধের পথ অবলম্বন করতে যাচ্ছেন। লকডাউন শুরুর আগের ১২ মাসে প্রায় ২ হাজার ৮০০ রেস্তোরাঁ ও পানশালা বন্ধ হয়ে গেছে।

এদিকে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গেল মার্চের শেষে লাইসেন্স করা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে ২ দশমিক ৪ শতাংশ। এটি আরও কমবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছে গবেষকরা।

সিজিএ গ্রুপের প্রধান নির্বাহী ফিল টাটে বলেন, যুক্তরাজ্যের রেস্তোরা ও পানশালাগুলোতে অন্তত দুই মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে বলা হয়েছে। এরফলে সেবাখাতের ১০ শতাংশ থেকে ৩০ শতাংশ ব্যবসা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

এর আগে ব্রিটিশ বিয়ার অ্যান্ড পাব অ্যাসোসিয়েশন (বিবিপিএ) জানায়, দুই মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে বললে প্রতি ৫টি পানশালার মধ্যে একটি কার্যক্রম চালু করতে পারবে। আর এক মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে বললে প্রায় সবগুলোই সচল করা সম্ভব হবে।

অনেক ব্যবসায়ীরা বলছেন, দুই মিটার দূরত্ব বজায় রেখে ব্যবসায়ীক কার্যত্রম চালানো যাবে না। এতে লাভের চেয়ে লসের পাল্লা ভারী হবে।

সম্প্রতি বিবিপিএ পরিচালিত একটি জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যের ৪৭ হাজার পানশালার মধ্যে ১৯ হাজার পানশালা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে দূরত্ব বজায় রাখার কারণে। কেননা বিশাল সংখ্যাক গ্রাহককে দূরত্ব বজায় রাখতে গেলে জায়গার পরিধি অনুযায়ী ‍নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিক্রি করা সম্ভব হবে না। এমন আশঙ্কা থেকে বন্ধ হতে পারে। একই আশঙ্কা করছে রয়েছে অনেক রেস্তোরাঁর ক্ষেত্রেও।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

এসএম/আওয়াজবিডি

ads