যুবলীগ দক্ষিণের ক্লিন ইমেজের নেতা মাহবুবর রহমান পলাশ


polash__photo

রাস্ট্র নায়ক শেখ হাসিনার শুদ্ধি অভিযানের ফলে বেড়িয়ে আসছে অযোগ্য নেতাদের আসল মুখস, যারা দলের সুনাম ক্ষুন্ন করেছে তাদের বিরুদ্ধে শুরু করা অভিযানের মধ্যে দিয়ে দলে জায়গা পাচ্ছে যারা বিপদে সময় দলের হাইব্রীড নেতাদের ভীরে আড়ালে পরে থাকা প্রকৃত নেতারা বলে মনে করেন সাধারণ জনগন!

যুবলীগ দক্ষিণের ক্লিন ইমেজের নেতা মাহবুবর রহমান পলাশ হচ্ছে তাদের মধ্যে থেকে একজন পলাশের সহকর্মীদের অনুপ্রবেশ কারীদের সুবিধাভোগিদের নগদ টাকার তাপ, বৈধ অবৈধ অস্ত্রের অযথা প্রদর্শনী। প্রানের চেয়েও প্রিয় নেত্রীর বাসভবনে গুলীবর্ষনকারী কোন প্রোগামে গেলে অনুপ্রবেশ কারীদের অস্ত্রধারী বডিগার্ডদের জন্য যাওয়া যায় না নিজস্ব যায়গায়, এ কারনে যুব রাজনীতিতে মাহবুবুর রহমান পলাশ ছিল অনেকটা অসহায়, নিজেকে গুটিয়ে নেয় আবার যখন দেখে জাতির জনকের কন্যা এমন বিষয় মোকাবিলা করে দেশী বিদেশি ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে সোনার বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে সফলভাবে।

তখন কি পলাশরা বসে থাকতে পারে। এ পলাশ কি সেই পলাশ যে নাকি,১/১১ সময়ে ২৩ বিবি এভিনিউ সর্বনিন্ম ৭ জনের মিছিলের সে একজন, মতিয়া চৌধুরী, সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি, মেহের আফরোজ চুমকি, তহুরা বেগম,শাহিন মনোয়ারা, ফরিদুননাহার লাইলি ও মাহবুবুর রহমান পলাশ, প্রতিদিনই তাদের বাচাঁতে গিয়ে নিজে আহত হয়েছেন, তৎকালীন যে সকল মিডিয়া মতিয়া চৌধুরীর নাম আছে তার অধিকাংশটাতে আছেন তিনি।

কে এম হাসান, এম এ আজিজ হটাও আন্দোলনের সময় ২৩ বিবি এভিনিউ তে মতিয়া চৌধুরী কে যখন পুলিশ আক্রমণ করতো এমিলী, চুমকি দের টানা হেচরা করতো পলাশ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাদের লাঠির বাড়িতে নিজে আহত হয়ে তাদের রক্ষা করতো এ সে পলাশ, পুলিশ যখন দলীয় কর্মীদের নির্বিচারে লাঠি চার্জ,গুলি, টিয়ারগ্যাস মারতো , পার্টি অফিসের ভিতর আশ্রয় নেয়া কর্মীদের পুলিশ কেচিগেট ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করতো তালা ভাংগত পার্টি অফিসের ভেতর টিয়ারগ্যাস মারতো, মাহবুবুর রহমান পলাশ তখন তার উপস্থিত বুদ্ধি দিয়ে তোফায়েল আহমেদ কে কল করে বলতো লিডার বাচান আমাদের পার্টি অফিস ভেঙে পুলিশ ভিতরে ঢুকে আমদের মেরে ফেলবে, তোফায়েল ভাই ১০/১৫ মিনিটের মধ্যেই চলে আসতো।

লগি-বইঠা র পল্টন এলাকা পলাশকে দেখেছি সবার আগে। তাহলে মাহবুবুর রহমান পলাশের দল তিনবার ক্ষমতায়। পলাশ নিজেকে গুটিয়ে রাখে কেন প্রশ্ন করে ছিলাম তাকে জবাবে মৃদু হেসে বলেছে বিরোধী দলের সঙ্গে আন্দোলনের মধ্যে নিজেদের অধিকার আদায় করতে শিখেছি প্রিয় নেত্রীর কাছে। কিন্তু পাওয়ার পাটি ব্যবহার করতে হয় কেমনে, অনুপ্রবেশ কারীদের প্রমোট করতে হয় কিভাবে শেখায়নী আমায় নেত্রী। শিখিয়েছে কিভাবে দেশকে দেশের মানুষকে ভালবাসতে হয়।

সায়মা ওয়াজেদ পুতুল শিখিয়েছে অটিজম শিশুদের ভালোবাসা পেতে হয় কিভাবে। ক্ষমতা ও টাকা লোভী কখনি ছিলাম না দলের দুঃসময়ে দলের কান্ডারী ছিলাম ও থাকবো নেত্রী যদি মনে করে আমি দলের হয়ে কিছু করব তাহলে জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও দলের ও নেত্রী সুনাম রক্ষা করার জন্য জীবন শেষ রক্তবিন্দু দিতে পিছপা হব না এটুকু বলতে পারি।


এএমজে/আওয়াজবিডি