জোরপূর্বক ভিডিও ডিলিট, পরে ছাত্রলীগ সভাপতি শোভনের ক্ষমা প্রার্থনা


শোভন

ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের অনুসারী দুই ছাত্রলীগ নেতার মারামারির ভিডিও মুঠোফোনে ধারণ করায় একটি জাতীয় দৈনিকের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবেদককে নিজের গাড়িতে তুলে ভিডিও মুছে ফেলতে বাধ্য করেন শোভন।

দৈনিক ইনকিলাবের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবেদক ও সাংবাদিক সমিতির সদস্য নুর হোসেন ইমনকে হেনস্তা করার ঘটনায় পরে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ক্ষমা প্রার্থনা করেন। এ সময় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি রায়হানুল ইসলাম আবির ও সাধারণ সম্পাদক মাহদী আল মুহতাসিমসহ সাংবাদিক সমিতির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার দুপুরে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে ছাত্রলীগের সভাপতি শোভনের অনুসারী ছাত্রলীগের দুই সহ-সভাপতি তৌহিদুল ইসলাম জহির ও শাহরিয়ার কবির বিদ্যুৎ নিজেদের মধ্যে কোন্দলে জড়িয়ে পড়েন। এ সময়, জহির ইট দিয়ে বিদ্যুতের কপাল ফাটিয়ে দেন। তখন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিক নুর হোসেন তার মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেন।

মারামারির দৃশ্য ভিডিওকারী সাংবাদিক নুর হোসেন ইমনকে জোর করে সভাপতির গাড়িতে তুলে নেয়া হয়। এরপর, তার মুঠোফোন থেকে মারামারির ওই ভিডিও মুছে ফেলা হয়।

এ ঘটনায়, শোভন দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি মূলত তাকে ঘটনাস্থলের মারামারি থেকে বাঁচাতে আমার গাড়িতে তুলেছিলাম। আমি তার প্রতি কোনো আগ্রাসী আচরণ করিনি। এই ঘটনার জন্য আমি দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী।‘