বাংলাদেশ থেকে আমদানিকৃত মাগুর প্রজাতির মাছ প্রত্যাহারের নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের


মাগুর প্রজাতির মাছ প্রত্যাহারের

ফের বাংলাদেশ থেকে আমদানিকৃত বিপুল সংখ্যক মাগুর প্রজাতির মাছ প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির খাদ্য নিরাপত্তা সংস্থা (এফএসআইএস)-এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ ও মিয়ানমার থেকে আমদানিকৃত ৪০ হাজার পাউন্ড মাছের ব্যাপারে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

তবে এর বেশিরভাগই বাংলাদেশ থেকে কেনা হয়েছিল। এ নিয়ে এফএসআইএস-এর তরফে গত জুলাই থেকে এ পর্যন্ত মোট এক লাখ ৭১ হাজার পাউন্ডেরও বেশি এ প্রজাতির মাছের ব্যাপারে নেতিবাচক সিদ্ধান্ত এলো।

এফএসআইএস এবং পরিদর্শন বিভাগ বলছে, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার যুক্তরাষ্ট্রে মাগুর, বোয়াল, সিং, পাবদা ও আরও কিছু মাছ রফতানির উপযুক্ত নয়। এখন আমদানিকৃত মাগুর প্রজাতির এসব মাছ প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়ায় মূলত ক্ষতিগ্রস্ত হবে হোলসেল চেইন প্রিমিয়াম ফুড ইউএসএ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশি-আমেরিকান মালিকানাধীন এ প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মাছ, সবজি ও স্ন্যাক্সের একটি শীর্ষস্থানীয় পরিবেশক ও পাইকারি বিক্রেতা।

প্রিমিয়াম ফুডস ইউএসএ-এর ম্যানেজার কেএম চৌধুরী বলেন, আমাদের গতবারের এবং এবারের চালান জমা দিতে বলা হয়েছে। আমরা তাই করেছি। যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সংস্থাটি বলছে, এসব মাছ পুনরায় পরিদর্শনের জন্য হাজির করা হয়নি। কলোরাডো, কানেক্টিকাট, ফ্লোরিডা, জর্জিয়া, ইলিনয়েস, মিশিগান, নিউ জার্সি, নিউইয়র্ক ও পেনসিলভানিয়ার মতো স্থানে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে এসব সরবরাহ করেছে প্রিমিয়াম ফুডস ইউএসএ।

এখন এসব মাছ প্রত্যাহারের নোটিস দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, এ মাছগুলো এখনও ভোক্তাদের ফ্রিজে থেকে যাওয়ার আশঙ্কা করছে এফএসআইএস।

যারা ইতোমধ্যেই এসব মাছ কিনে ফেলেছেন তাদের প্রতি অনুরোধ তারা যেন এগুলো না খান। এগুলো ছুঁড়ে ফেলা উচিত অথবা যেখান থেকে কেনা হয়েছে সেখানে ফিরিয়ে দেওয়া উচিত।