নিউইয়র্কে কৃষ্ণাঙ্গরা করোনাভাইরাসে বেশী আক্রান্ত


শেতাঙ্গ

আমেরিকায় প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের নিষ্ঠুর শিকার নিউইয়র্কের কৃষ্ণাঙ্গরা অভিবাসী গোষ্ঠী। এ নিয়ে নগরীর কাছে তথ্য থাকলেও এখনও তা প্রকাশ করা হচ্ছে না।

মেয়র ডি ব্লাজিও বলেছেন জরিপের এসব তথ্য বহু জীবন বাঁচানোর জন্য সহায়ক হবে। নিউইয়র্কের যেসব এলাকায় করোনায় বেশী মৃত্যু ঘটছে সেসব এলাকায় জনগোষ্ঠী বেশী। উচ্চশিক্ষার হার কম, স্বল্প ও মাঝারি আয়ের লোকজনের বসবাসের এলাকায় করোনাভাইরাস কাবু করেছে সবচেয়ে বেশী।

ব্রুকলিনের একটি জরুরি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে কাজ করেন ডাক্তার উচে ব্ল্যাকস্টোক। তিনি বলেছেন , গত কয়েক সপ্তাহ থেকে দেখা যাচ্ছে কালো ও বাদামী রঙের লোকজন বেশী করে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে। এসবের মধ্য অধিকাংশই নানা পেশার সামনের সারির কর্মজীবী বলে তিনি জানান।

নগরীর মেয়র বলেছেন, করোনাভাইরাসের আক্রমণে একটি বৈষম্যের চিত্র দেখা যাচ্ছে। নিম্ন আয়ের লোকজন বা যেসব অভিবাসী গোষ্ঠীর মধ্যে চিহ্নিত স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে, তারাই বেশী আক্রান্ত হচ্ছে বেশী করে।

নাগরিক অধিকার সংগঠন কমিটি ফর সিভিল রাইটস এর নির্বাহী পরিচালক ক্রিন্সটিন ক্লার্ক ফেডারেল ও রাজ্য সরকারের কাছে এ সংক্রান্ত তথ্য অবমুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন। পরিস্থিতির কার্যকর মোকাবিলার জন্য কন কোন অভিবাসী বা কোন বিশেষগোষ্ঠী বেশী আক্রান্ত হচ্ছে তা জানা জরুরি বলে তিনি মনে করেন।

এমনকি হোয়াইট হাউজে সংবাদ সম্মেলনে টাস্ক ফোর্সের সদস্য ডাঃ আন্তোনি ফাউসি বলেছেন, মেডিক্যাল কমিউনিটি আগে থেকেই জানেন, কোন জাতিগোষ্ঠী বা কোন বিশেষ গোষ্ঠী কোণ কোন অসুখে বেশী ঝুঁকিপূর্ণ। রক্তচাপ, ডায়বেটিস, অবিসিটি, এজমা এসব রোগ সাধারণভাবে কৃষ্ণাঙ্গ ও অভিবাসীদের মধ্যে বেশী দেখা যায়।

বিস্তারিত তথ্য জরিপ না আসা পর্যন্ত এ মুহূর্তে যারা আক্রান্ত হচ্ছে , তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিকিৎসা দিতে হবে। তিনি মনে করেন, ভাইরাসের সংস্পর্শে এসে পূর্বের স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে এসব লোকজন দ্রুতই আশংকাজনক পরিস্থিতিতে চলে যাচ্ছে এবং এদের মধ্যে মৃত্যুর হার বেরে যাচ্ছে।

ads