নিউইয়র্কে ছয় দিনের মধ্যে মরদেহ না নিলে কবর দেয়া হবে হার্ট আইল্যান্ডে


হার্টস আইল্যান্ড

মরণব্যাধি করোনাভাইরাসে নিউইয়র্কে গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৩১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। যা একদিনে সেখানে সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা। এ নিয়ে শুধু নিউইয়র্কে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে এখন ৫ হাজার ৪৮৯।

নতুন বিধি অনুযায়ী নিউইয়র্কে করোনাভাইরাসে মারা গেলে ছয়দিন অপেক্ষার পর নগরীর মর্গ থেকে মরদেহ স্থানান্তর করে ফেলা হবে।

নগরীর এক পাশে প্রাচীন গণকবরস্থান হিসেবে পরিচিত হার্ট আইল্যান্ডে কবর দেয়া হবে। পরে পরিবার বা স্বজনরা ইচ্ছে করলে সেখান থেকে উত্তোলন করে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করতে পারবেন।

নিউইয়র্ক নগরীর মেয়র অফিস থেকে জানানো হয়েছে করনাভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। এরমধ্যে নগরীর বিভিন্ন হাসপাতালে মারা যাওয়া প্রায় তিন হাজার মরদেহ নিয়ে বিপাকে পড়েছে নগরী।

মরদেহ সমাহিত করা বা শেষকৃত্য করা সামাল দিতে পারছে না নগরীর অনুমোদিত ফিউনারেল হোমগুলো। হাসপাতালে মারা যাওয়ার পর প্রথমে তাদের মর্গে রাখা হয়, সেখান থেকে দ্রুত ফিউনারেল হোমের ব্যবস্থাপনায় মরদেহ ছাড়া না পেলে, তা পাঠিয়ে দেয়া হয় নগরীর কেন্দ্রীয় মর্গে।

অনেক হাসপাতালেই অধিক সংখ্যক মরদেহ রাখার স্থান নেই। পরিবার বা স্বজনদের ব্যবস্থাপনায় ফিউনারেল হোমগুলো এসব মরদেহ একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা ছাড়া নিতেও পারছে না নিজেদের সামর্থের কারণে। একসাথে মহামারীর এতো মৃত্যু সামাল দেয়ার ক্ষমতা নগরীর ফিউনারেল হোমগুলোর নাই।

আগে নিয়ম ছিল দু'সপ্তাহ কোন মরদেহ নেয়ার জন্য আইনগত গ্রহীতা না পাওয়া গেলে নগরীর মর্গে তা বেওয়ারিশ ঘোষণা করা হতো।

গত ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার ফিউনারেল হোমগুলোকে জানানো হয়েছে, এখন ছয়দিনের মধ্যে মরদেহ না নেয়া হলে তা নগরীর ব্যবস্থাপনায় হার্ট আইল্যান্ডে অস্থায়ীভাবে কবর দিয়ে দেয়া হবে। নগরীর উত্তর পূর্ব এলাকায় হার্ট আইল্যান্ড এক মাইল দীর্ঘ প্রাচীন একটি গণকবর হিসেবে পরিচিত।

ads