দু’টি দোকানে ২০ হাজার টাকা সিকিউরিটি প্রতি মাসে ৩ হাজার ৫শ টাকা মাসিক চাঁদা

নবীগঞ্জে সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা, চাঁদা আদায়


দখলে

নবীগঞ্জে সরকারি জায়গা দখল করে প্রভাবশালীদের ঘর নির্মাণ। তিন বছর মেয়াদে চুক্তিতে বিশ হাজার টাকা জামানত। প্রত্যেক ঘর থেকে নেয়া হচ্ছে ৩ হাজার ৫শ টাকা মাসিক চাঁদা। এনিয়ে সুশীল সমাজে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে।

এদিকে নবীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও পৌর পরিষদের যৌথ উদ্যোগে শহর জুড়ে চলছে ভাসমান দোকান ও দোকান ঘরের বর্ধিত অংশ অবৈধ স্থাপনা অপসারণ উচ্ছেদ অভিযান। তবে সরকারি জায়গা দখলে নিয়ে নবীগঞ্জ শহরের শেরপুর রোড মার্কেন্টাইল ব্যাংকের পাশে অবস্থিত প্রভাবশালীদের নির্মাণকৃত ঘরে ব্যবসা চলছে নির্বিঘ্নে।

একাধিকবার সংবাদ প্রকাশিত হলে ও টনক নড়েনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। এমন কি উচ্ছেদ অভিযানে ও ধরা ছোঁয়ার বাহিরে রয়েছে এসব অবৈধ দোকান ঘর। এতে করে নবীগঞ্জ উপজেলা জুড়ে সাধারণ মানুষদের মধ্যে চলছে নানা আলোচনা সমালোচনা।

নবীগঞ্জ শহরের শেরপুর রোড সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এক সময়ের কৃষক চলাচলের রাস্তা হিসাবে ব্যবহার করা হত এই জায়গাটি। এখন চলে গেছে স্থানীয় প্রভাবশালীদের অবৈধ দখলে। আর এসব জায়গায় ঘর নির্মাণ করে আদায় করা হচ্ছে মাসিক চাঁদা। সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখলে নির্মাণকৃত ঘরের ব্যবসায়ী নবীগঞ্জ উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের মুক্তাহার গ্রামের কৃপেশ দাশ বলেন, দশ হাজার টাকা সিকিউরিটি দিয়ে তিন বছর মেয়াদে ব্যবসা করার জন্য চুক্তি করেছেন প্রভাবশালী জনৈক এক ব্যাক্তির সাথে। অপর ব্যবসায়ী নিশিকান্ত দাশ ও একই কথা বলেন। সরকারি জায়গায় অবৈধভাবে ঘর নির্মাণকে এই ব্যক্তি যাকে মাসিক চাঁদা দিতে হচ্ছে আওয়াজবিডি প্রতিনিধির এমন প্রশ্নের জবাবে ব্যবসায়ীরা প্রভাবশালী ব্যাক্তির নাম জানতে চাইলে সেই ব্যাক্তির নাম প্রকাশে অনিহা জানায়।

এব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিশ্বজিত কুমার পাল এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সরকারি জায়গা দখল মাসিক চাঁদা খোঁজ নিয়ে এমন ঘটনার সত্যতা পেলে তদন্তপূর্বক দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নাবেদ/এসএস/আওয়াজবিডি

ads