আবরারের পরিবার জামায়াত-শিবির: কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার


আবরার-এসপি

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদের পরিবার জামায়াত-শিবির বলে দাবি করেছেন কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) এসএম তানভীর আরাফাত।

এদিকে নিহত আবরারের ছোট ভাই ফায়াজকে বুধবার পুলিশ মারধর করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।এসব মিথ্যা কথা উল্লেখ করে এসপি বলেন, এখানে সবাই উপস্থিত আছেন। এসব মিথ্যা প্রগাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে। ভিসিকে মারতে পারে নাই এ জন্য।বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী কি ভিসির ওপর আক্রমণের কোনো চেষ্টা করেছিল?

সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে এসপি বলেন, ‘এলাকাবাসী না, ওদের ফ্যামিলি (পরিবার) জামায়াত-শিবিরের লোকজন। জামায়াতের লোকজন আক্রমণের চেষ্টা করেছিল।এতে কোনো পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন কিনা,এমন প্রশ্নের জবাবে এসপি বলেন,না কোনো সংঘর্ষের ঘটনাই ঘটেনি।এমনকি চড়-থাপ্পড়ের ঘটনাও ঘটে নাই।
এর আগে, বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম আবরারদের বাড়ি যান তার কবর জিয়ারত করতে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. আসলাম হোসেন ও পুলিশের কর্মকর্তারা। ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলামসহ উপস্থিত সবাই নিহত আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত করেন।ভিসির আসার খবর আগাম জানতে পেরে গ্রামবাসী আগে থেকেই নিহতের বাড়িতে ভিড় জমান। অতিরিক্ত ভিড় সামলাতে এবং ভিসির নিরাপত্তার জন্য কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

কবর জিয়ারত শেষে ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম নিহতের বাবা বরকত আলী ও পরিবারের অন্যান্যদের সান্ত্বনা দেন এবং সহানুভূতি প্রকাশ করনে।তবে বুয়েটের ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম নিহত আবরার ফাহাদের ঢাকার জানাজায় উপস্থিত না হওয়ায় জনমনে গভীর ক্ষোভের সঞ্চয় হয়। কবর জিয়ারতের পর পর বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী ক্ষোভে ফেঁটে পড়ে।

তারা ভিসির বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে মারমুখো হয়ে উঠলে ভিসি পুলিশের সহযোগিতায় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে আসতে বাধ্য হন।তবে পুলিশ সুপারের এমন বক্তব্য নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের ব্যথিত করেছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।