কোরবানির মহিষ মারতে গুলি, তাণ্ডবে আহত ১১


কোরবানির মহিষ মারতে গুলি, তাণ্ডবে আহত ১১

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে কোরবানির দেয়ার সময় লাফিয়ে উঠা মহিষের আক্রমনে ১১জনকে আহত করেছে। তারা বিভিন্ন হাসপাতলে ভর্তি রয়েছেন। মহিষটির আশপাশে কেউ ভিড়তে পাড়ছেন না। এদিকে ক্ষিপ্ত এ মহিষটিকে মারতে ভূঞাপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গুলি ছোঁড়া হলেও তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে যায়।

সোমবার ঘাটাইল উপজেলার যুগিহাটি গ্রামের আরিফুল সরকারের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। বর্তমানে মহিষটি ভূঞাপুর উপজেলার নিকলা গ্রামে অবস্থান করছে। মহিষের আক্রমনে আহতরা হলেন যুগিহাটি গ্রামের আরিফুল ইসলাম, ইকবাল সরকার, আতাউর সরকার, শহিদুল ইসলাম, আমিনুল ইসলামসহ ১১জন।

স্থানীয়রা জানান, ঈদ উপলক্ষে যুগিহাটি গ্রামের আরিফুল ইসলামের একটি মহিষ কয়েকজন মিলে কুরবানির জন্য ক্রয় করে। ঈদের দিন সকাল ১১টায় কোরবানি দেয়ার সময় মহিষটি মাটি থেকে লাফিয়ে উঠে।

সেখানে থাকা একই পরিবারের আরিফুল ইসলাম, ইকবাল সরকার, আতাউর সরকার, শহিদুল ইসলাম, আমিনুল ইসলামকে আহত করে। পরবর্তীতে আরো ৬ জনকে আহত করে। পাগল এ মহিষটিকে নিয়ন্ত্রণে ঘাটাইল থানার পুলিশ কোন উদ্যোগ না নেয়ায় মহিষটি ভুঞাপুর উপজেলার চরনিকলা গ্রামে চলে আসে। পরে ভুঞাপুর থানা পুলিশ মহিষকে মেরে ফেলার জন্য গুলি ছুড়লে সেটি মহিষের গায়ে না লেগে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে যায়। এ মহিষকে ঘিরে সাধারন মানুষের মাঝে বিরাজ করছে আতঙ্ক। ভয়কে জয় করেও হাজার হাজার মানুষ ছুটে যাচ্ছেন মহিষটিকে দেখার জন্য।

এ বিষয়ে ভুঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক টিটু চৌধুরী বলেন, ভুঞাপুর উপজেলার ইউএনও ঝোটন চন্দের নির্দেশে ক্ষিপ্ত ওই মহিষটিকে লক্ষ্য করে এক রাউন্ড গুলি ছোঁড়া হয়। এতে মহিষটি সরে গেলে গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ততক্ষণে মহিষটিকে দেখতে আশপাশের হাজারোও উৎসুক মানুষ চলে আসে। এতে পুনরায় ফায়ারিং করা সম্ভব হয়নি মানুষের নিরাপত্তার বিষয়টি চিন্তা করে। বারবার উৎসুক জনতাকে সেখান থেকে সরাতে মাইকে করা হলেও তারা কোন কর্ণপাত করছে না। এখন পর্যন্তও মহিষটিকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।