দোকান ঘর ভাঙচুর, ইউএনও অফিস ঘেড়াও


অফিস ঘেড়াও

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া মাছের বাজারে সেড ঘরের ১৮টি দোকান ভাঙচুরের প্রতিবাদে শনিবার দুপুরে সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় ঘেড়াও করে এক মানববন্ধন কর্মাসুচি পালন করে জেলে পরিবাররা।

মানববন্ধনে জেলে সম্প্রদায়ের প্রায় শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেয়। মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, সাঘাটা উপজেলা মৎসজীবি সমিতির সভাপতি সুবাস চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক রামলাল চন্দ্র দাস, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শচীন চন্দ্র প্রমুখ।

বক্তারা জানান, বোনারপাড়া হাট-ইজারাদার তাদের কাছ থেকে টাকা চেয়েছেন। টাকা না দেয়ার কারণে শুক্রবার রাতে পরিকল্পনা করে তাদের পজেশনের দোকানগুলো ভেঙ্গে দেয়।

তারা বলেন, করোনাভাইরাসে অনেক কষ্ট করে তারা জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। তারা সরকারী টোল হিসেবে প্রতিদিন ২৫ টাকা হিসেবে খাজনা দিয়ে আসছে। কিন্তু তাদের কোন খাজনার রশিদ না দিয়ে হাট ইজারাদার বেশী করে খাজনার দাবি করে আসছে। বেশী করে খাজনা না দেয়ায় এই ভাঙচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে। যতক্ষন পর্যন্ত এই দোকান ভাঙচুরের সুষ্ঠু বিচার না হবে ততক্ষন পর্যন্ত এই উপজেলার বোনারপাড়ায় মাছ বিক্রি বন্ধ থাকবে।

সেই সাথে আরও বলেন, এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। এদিকে হাট ইজারাদার মো: ফয়জার রহমান তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, হাটে মাছের সেড ঘর ভাংচুরের বিষয়ে তিনি কিছুই জানে না।

এব্যাপারে বোনারপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এনায়েত কবির জানান, মাছ ব্যবসায়ীদের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনা স্থল থেকে ৩টি হাতুড়ী, ২টি শাবল উদ্ধার করা হয়েছে।

এব্যাপারে সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর জানান, মাছ ব্যবস্যায়ীদের এই সমস্যা সমাধানে বোনারপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রকৌশলী মিলে আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করা হবে।

উল্লেখ্য, গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ফরমালিন মুক্ত বোনারপাড়া মাছ বাজারের একটি সেড ঘরের ১৮টি দোকান ঘর শুক্রবার মধ্যরাতে ভেঙ্গে ফেলে দুর্বৃত্তরা।

আশরাফুল ইসলাম/রেদওয়ানুল/আওয়াজবিডি

ads