ইউপি সদস্যের চড়ে দাঁত হারাল প্রতিবন্ধী


protibondhi

মানসিক প্রতিবন্ধির জন্য একটি প্রতিবন্ধি কার্ড করে দেবার কথা বলে ইউনিয়ন পরিষদের একজন মেম্বার ৮ হাজার টাকা উৎকোচ নিয়েছেন। এরপর ওই প্রতিবন্ধি সেমাই-চিনির দোকান থেকে রোজার শুরুতে সেমাই ও চিনি নিয়েছিলেন ৮ কেজির মতো। কিন্তু প্রতিবন্ধি কার্ড না হওয়ায় তার দেয়া টাকা ও সেমাই চিনি ফেরত চাইতে গেলে তার ওপর চড়াও হয়েছে ওই মেম্বর ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। এতে প্রতিবন্ধি গুরুতর আহত হয়েছেন। তার চারটি দাঁত ভেঙ্গে গেছে। বর্তমানে তিনি পার্বতীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে আজ শনিবার বিকেল ৪ টায় উপজেলার ৬নং মোমিনপুর ইউনিয়নের জুড়াই মাদরাসা সংলগ্ন জুড়াই বাজারে।

জানা যায়, মাস দেড়েক আগে উপজেলার মোমিনপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন প্রতিবন্ধি কার্ড করে দেওয়ার নামে হেলাল মন্ডলের মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। কার্ড পরে দেয়ার আশ্বাসে ও সম্প্রতি সরকারী ত্রাণ দেয়ার প্রলভনে হেলাল উদ্দীনের অস্থায়ী দোকান থেকে সেমাই চিনি বাকিতে নেন কেনেন তিনি।

এদিকে, কার্ড না দিয়ে কাল ক্ষেপন শুরু করে ইউপি সদস্য আনোয়ার। আজ বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদের দেয়া অসহায়দের জন্য ১ কেজি সেমাই ও ১ কেজি চিনি হেলাল মন্ডলকে ডেকে দেন ইউপি সদস্য আনোয়ার। পরিমানে সেমাই চিনি অল্প হওয়ায় তা নিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করে প্রতিবন্ধি কার্ডের জন্য দেয়া ৮ হাজার টাকা ফেরত চাইলে বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে আনোয়ার হোসেনের ভাই আনাম ও ওবায়দুলসহ সাঙ্গপাঙ্গরা তার ওপর চড়াও হয়ে মারপিট শুরু করে। এ ঘটনায় পার্বতীপুর মডেল থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কার্ড করে দেয়ার নামে অর্থ আত্মসাত ও সেমাই চিনির ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা। একটি মহল তার বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা প্রচারনা করে তাকে সমাজে হেও প্রতিপন্ন করছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মোমিনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব মন্ডল ঘটনার ঘটনার বিষয়ে বলেন, পূর্বের অভ্যন্তরীন দ্বন্দ্বের কারণে মারামাপিটের ঘটনা ঘটেছে।

আব্দুল্লাহ আল মামুন/এসএম/আওয়াজবিডি

ads