সিনেমা তৈরিতে ১০ কোটি টাকা অনুদান দিবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী


তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘এ বছর থেকে সিনেমা তৈরিতে ১০ কোটি টাকা অনুদান দিবে সরকার। সেই অনুদানে যে ছবিগুলো বানানো হবে, তা সিনেমা হলে মুক্তি দিতে হবে। এই বিষয়ে খুব শীঘ্রই আমরা নীতিমালা পরিবর্তন করতে যাচ্ছি।’

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিবেশক সমিতি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

চলচ্চিত্র প্রতি অনুদান ৬০ লাখ টাকা থেকে ৭৫ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ১০ কোটি টাকায় স্বল্প দৈর্ঘ্যসহ অন্তত ১৫-১৬টি অনুদানের ছবি বানাতে পারব। সেগুলো থেকে যদি তিনভাগের ২ ভাগও হলে মুক্তি পায় তাহলে অন্তত ১০টি ছবি হলে মুক্তি পাবে।’

নির্দিষ্ট সংখ্যক সিনেমা বোম্বে (মুম্বাই) থেকে আমদানির বিষয়ে পরিচালক ও প্রযোজক সমিতি একমত রয়েছে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি এ ব্যাপারে অনেকের সঙ্গে কথা বলেছি, এ ব্যাপারে শিল্পী সমিতি এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে সম্মতি দেয়নি। আমি সব পক্ষের সম্মতি ছাড়া এটা করতে চাই না। অতীতে একবার করা হয়েছিল। সেটা নিয়ে আন্দোলন হয়েছে।

হল মালিকদের কীভাবে স্বল্প সুদে দীর্ঘ মেয়াদী ঋণ দেয়া যায় তা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে পুশ করলে ঠিক মতো এগোচ্ছে না। এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মাধ্যমে হলে কীভাবে কী করা যায় সেটা নিয়ে গতকালও কথা বলেছি। আমরা আশা করছি, যেভাবে লেগে আছি অবশ্যই একটা সমাধানে পৌঁছাতে হবে।

হল মালিকদের কম হারে বিদ্যুৎ বিল নির্ধারণের বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে চিঠি দেবেন এবং তাদের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান তথ্যমন্ত্রী।

চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট মালামাল আমদানির ক্ষেত্রে শিল্প হিসেবে সুবিধার জন্য এনবিআরের সঙ্গে কথা বলবেন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, শুধু শিল্প ঘোষণা করলেই এনবিআর ট্যাক্স সুবিধা দিতে পারে না। এক্ষেত্রে এনবিআরের গেজেট নোটিফিকেশনে পরিবর্তন আনতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য চলচ্চিত্রকে অতীতের অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়া নয়, এই চলচ্চিত্র বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্ব বাজারে প্রবেশ করবে এবং বিশ্ব বাজারে স্থান দখল করবে। এটাই হচ্ছে আমাদের লক্ষ্য।’

ads