করোনায় আক্রান্ত সমাজসেবা কার্যালয়ের ১৫ কর্মকর্তা-কর্মচারী


করোনা- প

বর্তমান সময়ের একটি পরিচিত বিষয়ে পরিনত হয়েছে করোনা। বিশ্বের উন্নয়নশীল রাষ্ট্রগুলোর অবস্থা নাজুক হওয়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে সেখানকার সকল কার্যক্রম। আক্রান্তের সংখ্যা ভয়াবহ আকারে বাড়ছে প্রতিনিয়তই। সেই সাথে উদ্বীগ্নহারে বাড়ছে এ রোগে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু। প্রতিদিনই রেকর্ড পরিমানে ভাংছে মৃত্যুর সংখ্যা।

চিকিৎসকদের মতে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো ছাড়া এর অদ্যাবধি করোনার কোন প্রতিষেধ আবিষ্কার হয়নি। এমন পরিস্থিতে জীবন বাজি রেখে যেসব মহৎ ব্যক্তিরা কাজ করে যাচ্ছেন তাদের বলা হয়েছে প্রথম সারির যোদ্ধা। তাদের উপাধি দেয়া হয়েছে করোনা যোদ্ধা হিসেবে।

এর অন্তর্ভুক্ত হলেন চিকিৎসক, নার্স, পুলিশ, সংকটময় সময়ে দায়িত্ব পালনকারী সরকারি কর্মকর্তা ও কলমযোদ্ধারা। ডাক্তার, নার্স, পুলিশ, কলমযোদ্ধার পর এবারে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা। করোনাকালীন সময়ে মফস্বল পর্যায়ে বিভিন্ন ভাতা ভোগীদের মাঝে ভাতার অর্থ প্রদান করতে গিয়ে মরণব্যাধি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন দেশের বিভিন্ন উপজেলার সমাজসেবা কার্যালয়ের ১৫ কর্মকর্তা ও কর্মচারী।

আক্ররা হলেন- ঢাকা সিএমএম কোর্টের প্রবেশন অফিসার মাসুদ রানা, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ আবুল কাশেম, কক্সবাজার টেকনাফের মোঃ সিরাজ উদ্দীন, হবিগঞ্জের লাখাইয়ের আফজালুর রহমান, সুনামগঞ্জ ধর্মপাশার মোঃ গিয়াস উদ্দিন, জাতীয় অর্থোপেডিক প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন ইন্সটিটিউট ঢাকার মোছাঃ রওশনারা খাতুন, চট্টগ্রামের আনোয়ারার উচ্চমান সহকারী যুক্ত হিসাবরক্ষক মিজানুর রহমান, চট্টগ্রাম জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উচ্চমান সহকারী যুক্ত হিসাবরক্ষক সানাউল্লাহ, মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার ইউনিয়ন সমাজকর্মী শাহনাজ বেগম, চট্টগ্রাম হাটহাজারী উপজেলার ইউনিয়ন সমাজকর্মী বেগম পারভীন আক্তার, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের ইউনিয়ন সমাজকর্মী মোঃ গোলাম মওলা, নরসিংদী সদর উপজেলার ইউনিয়ন সমাজকর্মী মুনিয়া আলম বৃষ্টি, বগুড়ার এতিম ও প্রতিবন্ধী ছেলেমেয়েদের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নার্স হিরন্ময় শর্মা, কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা অফিসের অফিস সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক আনিসুর রহমান এবং দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার অফিস সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক মোঃ মমিনুল ইসলাম। আক্রান্তদের মধ্যে দুইজন ব্যতিত প্রত্যেকে তাদের হোম আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং দুইজন সুস্থ্য হয়েছেন।

এসএম/আওয়াজবিডি

ads