করোনার মধ্যেই ঈদ উদযাপন করবে ১৮০ কোটি মুসলমান


পবিত্র ঈদ উল আযহা

করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে যাচ্ছেন পৃথিবীর ১৮০ কোটি মুসলমান। সংক্রমণরোধে আলজেরিয়ায় বাড়ানো হয়েছে কারফিউ। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুললেও জেরুজালেমে বন্ধ রয়েছে আল আকসা মসজিদ। যুদ্ধ বন্ধ থাকায় একদশক পর শান্তিতে ঈদ উদযানের স্বপ্ন দেখছেন সিরিয়ার ইদলিবের বাসিন্দারা।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণরোধে জেরুজালেমে জারি করা নিষেধাজ্ঞা অনেকাংশে শিথিল করা হয়েছে। খোলা হয়েছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কায় বন্ধ আল আকসা মসজিদ। আলজেরিয়ায় আবারও জারি জারি করা হয়েছে কারফিউ। বন্ধ গণপরিবহন, দোকানপাট।

স্থানীয়রা বলছেন, আমাদের মসজিদে জামাত হবে না। ঘরে নামাজ পড়তে হবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় সবকিছু বন্ধ রাখা হয়েছে।

যুদ্ধ নেই, তাই শান্তির পরশ সিরিয়ার ইদলিবে। যুদ্ধবিরতির ফলে বহুবছর পর আনন্দে ঈদ উদযাপনের স্বপ্ন দেখছেন বাসিন্দারা। তারা বলছে, রাশিয়া, সিরিয়া ও ইরানের ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধ রয়েছে। রক্তপাত নেই। অবশ্যই যে কোনো সময়ের চেয়ে ভালো আছি।

লকডাউন উপেক্ষা কোরেই আফগানিস্তানে ঈদের বাজারে উপচে পড়া ভিড়। মানা হয়নি সামাজিক দূরত্ব বা মাস্ক পড়ার বাধ্যবাধকতা। দোকানপাট বন্ধের নির্দেশনা থাকলেও ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় ছিল ভিন্ন চিত্র। তবে তৎপর নিরাপত্তা বাহিনী। ঈদ শপিংয়ের জন্য বিধিনিষেধ শিথিল করলেও দীর্ঘ লকডাউনে ক্ষতির মুখে পাকিস্তানের ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ১০ দিনের জন্য ৪ ঘণ্টা করে দোকান খোলার অনুমতি দেয়া হয়েছে। এভাবে লকাডাউনের বিশাল ক্ষতি কোনোভাবেই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব না।

লকডাউনের কারণে ইরাকের মসুলে জনপ্রিয় উঠেছে অনলাইনে ব্যবসা। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মুসলমানরা ঈদকে সামনে রেখে নানাভাবে উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।

এসএম/আওয়াজবিডি

ads