নতুন আইনে বিপাকে পরতে পারে এনজিও খাত


এনজিও খাত

সরকারি নতুন একটি আইন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে বাংলাদেশে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা বা এনজিওগুলো। তারা এই নতুন আইনকে শ্বাসরুদ্ধকারী আখ্যা দিয়ে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করেছে। নতুন আইন অনুযায়ী এনজিওগুলো রাষ্ট্রয়াত ব্যাংগুলোর সঙ্গে চুক্তিতে যেতে বাধ্য হবে। আর সরকারি আইন না মানবে এই সংগঠনগুলোকে বিলুপ্ত করে দেওয়ার এখতিয়ারও থাকবে সরকারের।

ইউসিএ নিউজ। স্বেচ্ছাসেবি সামাজিক উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান আইন ২০১৯ বাতিলের দাবিতে সাম্প্রতিক সময়গুলোতে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বেশ কিছু এনজিও। এ বছরের ২৪ জুন পর্যন্ত বাংলাদেশে নিবন্ধিত বিদেশী সহায়তায় চলা স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিও ছিলো ২ হাজার ৪৭২টি। এর মধ্যে ২ হাজার ২১৭টি দেশি এবং ২৫৩টি বিদেশি।

এগুলো বিভিন্ন সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থায় নিবন্ধিত। বাংলাদেশের ১৬ কোটি জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতিয়াংশ দারিদ্রসীমার নিচে বাস করে। মূলত এদের নিয়েই এই এনজিওগুলো কাজ করে। শিক্ষা, চিকিৎসা, দারিদ্র বিমোচন, ক্ষুদ্রঋণ, পরিবেশ সুরক্ষা, জীবনমান উন্নয়ন প্রশিক্ষণ সহ নানান খাতে কাজ করছে এই এনজিওগুলো। ট্রানাসপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের মতে, বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রায় ৩০ শতাংশ হয়ে থাকে এই এনজিওগুলোর দ্বারা।

তাদের মদে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অর্জনে এই সংগঠনগুলো বড় ধরণের ভুমিকা রাখছে। দারিদ্র বিমোচন সংগঠন নিজেরা করির কো-অর্ডিনেটর খুশি কবিরকে এই বিষয়ে ইউসিএ নিউজকে বলেন, ‘আমরা কতৃপক্ষের এই সম্ভাব্য হস্তক্ষেপের ব্যাপারে খুই দুশ্চিন্তায় পরেছি। বছরের পর বছর ধরে আমরা রএই দেশের উন্নয়নে কঠোর পরিশ্রম করেছি। আমরা কখনই রাষ্ট্রের স্বার্থবিরুদ্ধ নই। ’ এনজিও কর্মীদের আশঙ্কা নতুন এই আইনের কিছু ধারা সরকারি কর্মচারীরা অপব্যবহার করবেন।

রেদওয়ানুল/আওয়াজবিডি