প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজের মেয়েকে হত্যা করেছেন বাবা


মেয়েকে হত্যা করেছেন বাবা

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজের মেয়েকে হত্যা করে, মেয়ে হারিয়ে গেছে বলে থানায় জিডি করেন বাবা। দেড় বছরের  সেই শিশুটির নাম ফারহানা আক্তার রাহিমা, অভিজুক্ত বাবার নাম ফয়েজ আহাম্মদ মনু (৪৫)। ফয়েজ চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্বরাজাপুর গ্রামের হোসেন ওরফে খোরশেদ আলমের ছেলে।

চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি মো. জসীম উদ্দীন বলেন, গেফতারের পর সোমবার ফয়েজ আহাম্মদ মনু (৪৫) নামে এই বাবা তার মেয়েকে হত্যার দায় স্বীকার করে লক্ষ্মীপুরের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

খুনের ঘটনায় আদালতে আসামির দেয়া জবানবন্দির বিষয়ে পুলিশ জানায়, ফয়েজের সঙ্গে পাশের বাড়ির মতিনদের জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। সম্প্রতি বৈদ্যুতিক সংযোগ নিয়েও তাদের বিরোধ দেখা দেয়। এতে ফয়েজ নিজের মেয়েকে হত্যা করে মতিনদের মামলায় জড়ানোর ছক আঁকে।

গত ৫ মে শিশু রাহিমা বাড়ির উঠানে খেলছিল। এ সময় সবার অজান্তে তাকে কোলে তুলে ফয়েজ বাড়ি থেকে দূরে নির্জন এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর ঝোপের ভেতর লাশটি লুকিয়ে রাখে ফয়েজ। বাড়িতে ফিরে মেয়ে হারিয়ে গেছে বলে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে। কোথাও না পেয়ে ঘটনার দিন রাত ১০ টার দিকে চন্দ্রগঞ্জ থানায় তিনি একটি নিখোঁজ ডায়েরি করে। পরে পুলিশসহ বাড়ির লোকজন বিভিন্ন স্থানে খুঁজেও শিশুটিকে পায়নি।

এ ঘটনায় শিশুর মা রাশেদা আক্তার সুমি বাদি হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

পিকিউ/আওয়াজবিডি

ads