আমেরিকার আন্দোলনের প্রশ্ন উঠতেই ‘কথা হারালেন’ ট্রুডো


জাস্টিন ট্রুডো

সংবাদ সম্মেলনে এমনিতে তার মতো সাবলীল রাষ্ট্রপ্রধান খুঁজে পাওয়া দায়। দ্রুত উত্তর দিতেও তার জুড়ি মেলা ভার। সেই জাস্টিন ট্রুডো আমেরিকার আন্দোলন প্রসঙ্গ উঠতেই ২১ সেকেন্ডের মতো চুপ হয়ে যান। পরে নিজেকে সামলে নিয়ে অভূতপূর্বভাবে দেশটির সমালোচনা করেন।তবে কৌশলে।

আমেরিকার সঙ্গে কানাডার বাণিজ্য নির্ভরতা অনেক বেশি থাকায় ট্রুডো কখনো দেশটির সেইভাবে সমালোচনা করেন না। কিন্তু এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমরা সবাই ভৌতিক দিকে নজর দেয়ার পাশাপাশি আমেরিকায় কী হচ্ছে তার দিকে মনোযোগ দিচ্ছি। মানুষকে এক করার এখনই সময়। মে মাসের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যে জর্জ ফ্লয়েড নামের ৪৬ বছর বয়সী এক কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তিকে হত্যা করেন চার শ্বেতাঙ্গ পুলিশ। এই ঘটনার একাধিক ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হলে অভিযুক্তরা ফেঁসে যান।

আমেরিকাজুড়ে শুরু হয় আন্দোলন। সেই আন্দোলন থামাতে ট্রাম্প প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে।ট্রাম্পের কর্মকাণ্ড দেখে কী বার্তা দিতে চান, এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের পর ট্রুডো অবশ্য কোনো উত্তর দেননি।বিশ্লেষকেরা বলছেন তিনি হয়তো সরাসরি ট্রাম্পের বিষয়ে কথা বলতে চাননি।টরেন্টোর পলিটিকাল সায়েন্সের অধ্যাপক নেলসন ওয়াইজম্যান মনে করেন, ট্রুডোর বক্তব্যে ট্রাম্পের নাম না আসলেও বোঝা যায় কাকে তিনি বলেছেন। এটাও এক প্রকার সমালোচনা।

একই সংবাদ সম্মেলনে ট্রুডো ইসরায়েল প্রসঙ্গ নিয়েও কথা বলেন। তিনি জানান, পশ্চিম তীরের সমস্যা সমাধানে দুই দেশের সরকার প্রধানের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ রাখছেন।

ads