গবি’র প্রাণরসায়ন বিভাগ কাজ করছে করোনা মোকাবিলায়


গবি

ক্ষুদ্র জীবাণু করোনা। নেই কোনো ভ্যাকসিন বা মেডিসিন। এই জীবাণু শরীরে প্রবেশ ঠেকাতে ও নিরাপদে থাকতে আমরা ব্যবহার করছি হ্যান্ড স্যানিটাইজার। এই স্যানিটাইজার বাজার থেকে প্রায় উধাও। পাওয়া গেলেও দাম দুই-তিনগুণ বেশি। এই সংকট মোকাবিলায় এগিয়ে এসেছে সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ।

ঝুঁকিতে থাকা অভাবগ্রস্ত ৫ হাজার মানুষদের বিনা মূল্যে বিতরণের জন্য হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করছেন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

রোটারি ইন্টারন্যাশনাল সংগঠনটির অর্থায়নে প্রাণরসায়ন বিভাগের পরীক্ষাগারে গত দুদিনে একশ মিলি'র হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করা হয়।

প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. ফুয়াদ হোসেন ও প্রভাষক শেখ শহিদুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফর্মূলা অনুযায়ী এই হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি হয়েছে।

রোটারি ও প্রাণরসায়ন বিভাগের সম্বনয়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান ও সমাজকর্ম বিভাগের প্রভাষক মো. মোক্তার আলী দিপু বলেন, ‘দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে নিজের বিবেকবোধ থেকে মানুষের সেবায় এগিয়ে এসেছি। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ আজ চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে না, করোনা থেকে প্রতিরোধে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। যদি আমাদের এ কার্যক্রম মানুষের কল্যাণে আসে, তবেই আমরা স্বার্থক।’

রোটারি ক্লাব অব উত্তরা মডেল টাউনের সভাপতি ডা. মো. রেজওয়ানুল হক এলিন বলেন, ‘গণ বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও আমরা শুধু ফার্মা এশিয়া এবং টিকে গ্রুপ থেকেও হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করছি। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অভাবগ্রস্ত মানুষের মাঝে এগুলো বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। প্রয়োজনবোধে উৎপাদন আরো বৃদ্ধি করা হবে।’

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘এমন সুন্দর একটি উদ্যোগ গ্রহণের জন্য রোটারিকে ধন্যবাদ জানাই। দেশের প্রয়োজনে গণ বিশ্ববিদ্যালয় সর্বদা পাশে থাকবে।’

আরএইচ/আওয়াজবিডি 

ads