মুদি ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ


করার অভিযোগ

বরিশালে দুই ভাই নগরীর একাংশে প্রভাব বিস্তার করে নিজেদের মূর্তিমান আতঙ্ক রূপ দিয়েছে। প্রতিপক্ষদের দমনে নিজ পরিবারের ক্ষমতা ব্যাবহার করছে।

গত ২ দিন ধরে চলমান এই ঘটনায় কেউ কোনো শব্দ করছে না বিধায় বিষয়টি এক প্রকার ধামাচাপার মতোই ছিলো অজানা। কিন্তু আজ কোতয়ালী থানা পুলিশের ভ’মিকায় বরিশাল শহরের ২২ নং ওয়ার্ডের জিয়া সড়ক এলাকার এই ঘটনা জানাজানি হয়ে যায়।

স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, মঙ্গলবার (২৬ মে) ওই এলাকার একটি চায়ের দোকানে স্থানীয় যুবক জুয়েল (ছদ্দনাম)সহ তার বন্ধুরা মিলে সিগারেট পান করছিলেন। এসময় মৃধা বাড়ির নজরুলের পুত্র পিয়াল ( ২২) জুয়েল’র সাথে থাকা এক বন্ধুর সাথে খারাপ ব্যবহার করেন। ওই সময় জুয়েল পিয়ালকে সাফ বলে দেন আমার বন্ধুদের সাথে ব্যবহার টা ঠিক হয়নি। এদিকে রীতিমতো ত্রাস সৃষ্টি করেছিলো পিয়ালের ভাই পিয়াস ( ১৬),ঘটনা না শুনে জুয়েল’র উপর চাউর হয় পিয়াস।

পিয়াসের উত্তেজিত দেখে এক পুলিশ সদস্য তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন।পরে জুয়েলসহ পিয়াসকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার সপ্তাহ না যেতে দুই ভাইয়ের রাজত্ত শুরু করে দেয় ওই এলাকায়। সুত্র বলছে,পিয়াসের বিরুদ্ধে একটি চাঁদাবাজি মামলা রয়েছে। ঘটনা এখানেই শেষ নয়। শুক্রবার (২৯ মে) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে লোয়ার পোল এলাকার সেলিম হাওলাদারের ছেলে (অটো চালক) কামাল নথুল্লাবাদ থেকে লোয়ার পোল যাচ্ছিলেন।

বৃষ্টিতে জমে থাকা রাস্তার পানি ছিটে পিয়াস,পিয়াল,ও তার দুই বন্ধুর পায়ে লেগে যায়। এতে পিয়াস,পিয়াল তার বন্ধুরা ওই অটোচালকের উপর হামলা চালায়। হামলার বিষয়টি দেখে মুদি ব্যবসায়ী একই এলাকার মুনছুর তালুকদারের ছেলে মনু তালুকদার এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা তাকেও মারধর শুরু করে। ধারনা করা হচ্ছে, দীর্ঘ বিরোধের মাঝে আজ এগিয়ে আসায় মনুকে মারধর করা হয়েছে এমনটাই দাবী এলাকাবাসীর। হামলায় নেতৃত্ব দেয় সেই পিয়াস।

তার সাথে যুক্ত হন মা- শাশরিসহ অপর দুই বন্ধু। হামলার পর পিয়াস বাহিনী অবস্থান নেয় জিয়া সড়ক এলাকার তে মাথায়,এসময় তাদের হাতে দেশিও অস্ত্র নিয়ে মহরা দেখে শতশত জনতা হতভাগ। বিশ্বস্ত একটি সুত্র বলছে, দেশিও অস্ত্র ও লাঠি দিয়ে একে অপরকে আঘাত করে নেয়। কোনো ভাবে পুলিশকে দেখাতে পারলেই হলো। ঘটনার নাটকীয়তা আরও বড় মর্মদায়ক।

ঘটনার পরপরই ওয়ার্ড কাউন্সিলয়র আহত,মনু ও কামালের কথা শুনেছেন। হামলাকারীদের বাসায় গিয়ে দেখা মেলেনি। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, পিতা নজরুল ইসলাম শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য ও নথুল্লাবাদ একটি চায়ের দোকান থাকায় তার নাগাল পাওয়া বড়ই দুস্কর।

মানেন না কাউকেই। নজরুল ইসলামের ভাষ্য হচ্ছে,তার দুই ছেলে কোনো অন্যায় করেন না। অটোর বিষয়টি তার জানা নেই বলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি ।

মাসুদ/রেদওয়ানুল/আওয়াজবিডি

ads