করোনার সময় চীনে ১০ নিয়ম মেনে বাঁচলেন বাংলাদেশি ছাত্রী


করোনার সময় চীনে ১০ নিয়ম মেনে বাঁচলেন বাংলাদেশি ছাত্রী

করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত গোটা বিশ্ব। ক্রমেই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে এই ভাইরাস বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। করোনাভাইরাসের ভয়াল থাবায় কার্যত অচল পুরো বিশ্ব। মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে দেশের পর দেশ। তবে চীনে অবস্থান করেও ১০টি নিয়ম মেনে করোনার কবল থেকে মুক্তি পেয়েছেন বাংলাদেশি এক ছাত্রী। তিনি চীনের জজিয়াং প্রদেশের চিনহুয়া শহরে বসবাস করেন।

তিনি জানান, করোনায় আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকলে এর কবল থেকে মুক্ত থাকা যায়। নিয়মগুলো হলো-

১. মাস্ক ছাড়া রুমের বাইরে এক পা-ও যেতাম না কেউ। এখনও না।
২. কিচেনে ৩-৪ জন থাকলে আমরা আর কেউ প্রবেশ করে জনসমাগম বাড়াতাম না। (বি. দ্র. এক রুমে দুজন থাকি সবাই)
৩. করোনাভাইরাস প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিকল্প নেই। তীব্র শীতেও প্রতিদিন গোসল করেছি এবং ঘন ঘন সাবান দিয়ে হাত ধুয়েছি। (বি. দ্র. আমরা কোনো হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করিনি)। রুম পরিষ্কার রেখেছি।
৪. রুমের বেলকনির দরজা-জানালা সর্বদা বন্ধ থাকত। দম বন্ধ হয়ে আসলে সকালে ও বিকালে ৫ মিনিট করে খুলে রাখতাম।
৫. প্রতিদিন নিয়মিত ব্যায়াম করেছি।
৬. প্রতিদিন কুসুম গরম পানি পান করেছি, দুধ, ডিম, ভিটামিন ‘সি’ জাতীয় খাবার, এর মধ্যে কমলালেবু বেশি ছিল। আমরা অতিরিক্ত তেল জাতীয় ও ডিপ ফ্রাইড কোনো খাবার খাইনি, এখনও না।
৭. প্রতিদিন পুলিশ ও হল কর্তৃপক্ষ শরীরের তাপমাত্রা মেপে যেত।
৮. প্রতিদিন নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও সাহায্য প্রার্থনা করেছি।
৯. যারা ক্যান্টিনে খাওয়া দাওয়া করত, এক টেবিলে একজনের বেশি বসত না ও মাঝে এক টেবিল গ্যাপ থাকত।
১০. অফ ক্যাম্পাসের বন্ধুদের ক্যাম্পাসে প্রবেশের অনুমতি তখনো ছিল না, এখনো নেই।

এসএ/আওয়াজবিডি

ads