করোনাভাইরাস আতঙ্কে পর্যটকশূন্য রাঙামাটি

রাঙামাটি

সারাদেশের মতো করোনাভাইরাস আতঙ্ক ছড়িয়েছে পাহাড়েও। তাই পর্যটকশূন্য হয়ে পরেছে রাঙামাটির পর্যটন কেন্দ্রগুলো। বাতিল হয়েছে অগ্রিম বুকিংও। এরই মধ্যে রাজস্ব আয় নিয়ে শঙ্কায় পড়েছে পর্যটন সংশ্লিষ্টরা। যদিও পাহাড়ে জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ভরপুর থাকে পর্যটক।

কিন্তু সম্প্রতি দেশে করোনা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার পর মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে কমতে শুরু করেছে রাঙামাটি পর্যটক। বাতিল করা হয়েছে পিকনিকসহ অগ্রিম সব বুকিং। তাই ভরা মৌসুমে বেকার হয়ে পরেছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

রাঙামাটি পর্যটন ব্যবসায়ীরা বলছেন, শীত, গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষায় রূপের জৌলুস থাকে রাঙামাটিতে সারা বছরই। এখানে চলে পাহাড়, নদী আর হৃদের মিলন মেলা। এখানকার প্রতিটি পরতে পরতে লুকিয়ে আছে অদেখা ভুবন। প্রতিবছর ঠিক এ মৌসূমে রাঙামাটিতে ভিড় করে হাজারো পর্যটক।

কারণ পাহাড়ের জন্য এটা পর্যটন মৌসূম। মূলত নতুন বছর শুরুর পর এপ্রিল পর্যন্ত জমজমাট চলে পর্যটন ব্যবসা। এ সময়টায় পর্যটকদের পদচারণায় তিল পর্যন্ত জায়গা খালি থাকে না রাঙামাটিতে। বিশেষ করে আবাসিক হোটেল মোটেলগুলোতে বুকিং দিতে হিমশিম খেতে হয় সবাইকে।

আর সরকারি ছুটির দিনে এ ভিড় থাকে চোখে পড়ারমত। কিন্তু দেশে করোনা আতঙ্ক ছড়িয়ে পরায় পর্যটক আসা বন্ধ হয়ে গেছে পাহাড়ে। তাই ভরা মৌসুমে অনেকটা বেকার বসে আছে সব ব্যবসায়ীরা।

এ ব্যাপারে রাঙামাটি পর্যটন কপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক সৃজন বিকাশ বড়ুয়া জানান, যখনই শোনা গেছে বাংলাদেশে ৩ জন করোনা আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে, ঠিক তখন থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে একটা আতঙ্ক শুরু হয়ে গেছে। আতঙ্কে দেশি-বিদেশেী পর্যটকরা পাহাড়ে আসা বন্ধ করে দিয়েছে। আগে থেকে যেগুলো বুকিং ছিল তাও বাতিল করছে পর্যটকরা। তাই বর্তমানে রাঙামাটিন পর্যটক কেন্দ্রগুলো পর্যটক শূন্য হয়ে পরেছে।

এ বিরাট প্রভাব পরছে রাজস্ব আয়ের ক্ষেত্রে। কারণ রাঙামাটি পর্যটন কেন্দ্রগুলো পর্যটকের উপর নির্ভরশীল। পর্যটক না আসলে ব্যবসা একেবারে আচল। তাই যতদিন পর্যটক থাকে ততদিন পর্যটন ব্যবসা জমজমাট থাকে। করোনা আতঙ্ক না কাটা পর্যন্ত মনে হয় না পাহাড়ে আর কোন পর্যটক আসবে। 

প্রসঙ্গত, রাঙামাটিতে রয়েছে বিভিন্ন পর্যটন স্পটে। সেগুলো হলো- ডিসি বাংলো, পেদা টিংটিং, সুবলং ঝর্ণা, রাঙামাটি পর্যটন ঝুলন্ত সেতু, টুকটুক ইকো ভিলেজ, রাঙামাটি পার্র্ক, সুখী নীল গঞ্জ, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও প্রাচীন নিদর্শন (যাদুঘরে), বড়আদম, কাপ্তাই আসামবস্তি সড়ক, ফুরামন পাহাড়।

এছাড়া কাপ্তাই হ্রদে নৌ ভ্রমনতো রয়েছেই। এসব মনোরম ও নয়নাভিরাম স্পট ও স্থাপনায়র টানে রাঙামাটি আসে হাজার হাজার পর্যটক।

রেদওয়ানুল/আওয়াজবিডি


অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
https://www.awaazbd.net/author/awaazbdonlinenews

অনলাইন ডেস্ক

mujib_100
ads
আমাদের ফেসবুক পেজ
সংবাদ আর্কাইভ