শিশু তুহিনকে হত্যার ঘটনায় পরিবারের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে: এএসপি মিজান

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান

শিশু তুহিনকে হত্যার ঘটনায় পরিবারের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান।

আকটকৃতদের জিজ্ঞসাবাদ শেষে সোমবার রাতে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

এর আগে সোমবার (১৪ অক্টোবর) সকালে শিশুটির মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। রবিবার (১৩ অক্টোবর) রাতে শিশুটিকে ঘুমন্ত অবস্থায় ধরে নিয়ে রাতের আঁধারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

নিহত তুহিন কেজাউরা গ্রামের আব্দুল বাছিরের ছেলে। এই ঘটনায় এলাকার শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পুলিশ জানায়, সোমবার ভোরে পরিবারের অগোচরে শিশুটিকে কে বা কারা শিশুটির কান ও যৌনাঙ্গ কেটে হত্যার পর লাশটি গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রাখে। এছাড়াও হত্যায় ব্যবহৃত দুইটি ছুরি তার পেটে ঢুকিয়ে রেখে চলে যায়।

খবর পেয়ে দিরাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। লাশের সুরতহাল শেষে ময়না তদন্তের জন্য লাশ সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

জিজ্ঞাবাদের জন্য আটককৃতরা হলো- নিহতের বাবা আব্দুল বাছির, নিহতের চারজন চাচা আব্দুল মছব্বির, মো. জমশেদ মিয়া, জাকিরুল ইসলাম, মো. নাছিম মিয়া, এক চাচি ও চাচাতো বোন। তবে চাচি ও চাচাতো বোনের নাম ও পরিচয় জানা যায়নি।

দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম নজরুল ইসলাম জানান, শিশু তুহিন হত্যার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে কে বা যারা জড়িত তাদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

ঘটনার খবর পেয়ে ভারপ্রাপ্ত সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করা হবে।

এসএম/আওয়াজবিডি


অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
https://www.awaazbd.net/author/oeazq8
mujib_100
ads
আমাদের ফেসবুক পেজ
সংবাদ আর্কাইভ