গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় প্রাণ গেল ৯২৫ জনের

যুক্তরাষ্ট্রে আগামী তিন মাসে আরও দেড় লাখ মানুষের মৃত্যু হতে পারে

যুক্তরাষ্ট্রে শনাক্তের সংখ্যা ৭০ লাখ ছাড়াল
ছবি : সংগৃহীত

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুর সংখ্যা দুই লাখ ছাড়িয়েছে। জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্যমতে, দেশটিতে এ পর্যন্ত করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২ হাজার জন বেশি ।করোনায় একদিনে মৃত্যুর সংখ্যায় বাড়ছে দেশটিতে। গত ২৪ ঘন্টায় যুক্তরাষ্ট্রে ৯২৫ জন করোনায় মারা গেছেন।

শীতকাল আসতে না আসতে করোনার সংক্রমণ আবারও বাড়তে শুরু করেছে। এমনকি মৃত্যুর সংখ্যাও। তবে শীতের প্রকোপ শুরুর সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাসটি আবারও আঘাত হানবে এমন ধারণা আগে থেকেই ধারণা করেছিলেন করছেন মার্কিন সাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন- গ্রীষ্মের ছুটি শেষের দিকে কিছু শিক্ষার্থী যখন স্কুলে ফিরে যাবে তখন করোনা পরিস্থিতি আবারও অবনতি হবে।

এদিকে ওয়াশিংটনের ইনস্টিটিউট ইউনিভার্সিটি অব হেলথ মেট্রিক্স অ্যান্ড ইভালুয়েশনের (আইএইচএমই) জরিপে দেখা যায় , আগামী তিন মাসে কোভিড-১৯ আরও দেড় লক্ষ লোক মানুষের প্রাণ কেড়ে নিবে।

ইতোমধ্যে টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে ৪ হাজারের বেশি স্কুল-কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।এছাড়া ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে বেশিরভাগ পাবলিক স্কুল খোলার পর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীর সংক্রমণের সংখ্যার হার ২৬ শতাংশ বেড়েছে। করোনাভাইরাসের আক্রান্তের সংখ্যা ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ১৫ শতাংশ বেড়েছে। মাঝে কিছুদিন যুক্তরাষ্ট্রে সংক্রমণের গতি ধীর হলেও সম্প্রতি নর্থ ডাকোটা ও উটাহসহ দেশটির ২২টি অঙ্গরাজ্যে সংক্রমণ আবারও বাড়ছে।

ভাইরাসে এতো মানুষের মৃত্যুর পরও ৯০ শতাংশ আমেরিকান নাগরিকের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন বলে জানিয়েছেন রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের পরিচালক ডা. রবার্ট রেডফিল্ড।

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ অ্যান্টনি ফাউসি মঙ্গলবার আটলান্টিক ফেস্টিভ্যালে বলেছেন, "শীতকাল প্রবেশ করেছে এবং আমি একটি বেসলাইন দেখতে চাই যে, ভাইরাসে প্রতিদিন কতজন সংক্রামিত হচ্ছেন। কিন্তু উদ্বিগ্নের বিষয় হচ্ছে গড়ে ৩০-৪০ হাজারের সংখ্যাটা থাকছে না বরং বাড়ছে।"

করোনা মহামারি মোকাবেলায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন বারবারই সমালোচনার মুখে পড়েছে। সোমবার ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জো বাইডেন বলেন, ‘গত ছয় মাস ধরে ট্রাম্পের মিথ্যাচার এবং অদক্ষতার কারণে আমরা আমেরিকার ইতিহাসের ভয়াবহতম প্রাণহানি প্রত্যক্ষ করেছি।’

তিনি বলেন, এই সংকট একটি সত্যিকার সংকট, যেখানে প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা প্রয়োজন ছিল, কিন্তু তিনি এটি করতে চাননি। তিনি থেমে যান। ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হন।


শাহ আহমদ সাজ
শাহ আহমদ সাজ
https://www.awaazbd.net/author/awaaz-usa

শাহ আহমদ বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়ায় জন্মগ্রহন করেন। শিক্ষা জীবনের শুরু ঢাকার সানরাইজ প্রি ক্যাডেট এন্ড কলেজে। তারপর ২০০৪ সালে কুলাউড়ার জালালাবাদ হাইস্কুল থেকে এসএসসি, ২০০৬ সালে মদন মোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। ২০০৭ সালে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ইংরেজি অনার্সে ভর্তি হন।এরপর ইনফরমেশন টেকনোলজিতে পড়ালেখার জন্য লন্ডনে পাড়ি জমান এবং ক্রাউন ইন্টারন্যাশনাল কলেজে ব্যাচেলর শেষ করেন। বর্তমানে সপরিবারের যুক্তরাস্ট্রে বসবাসরত শাহ আহমদ, ছাত্রজীবন থেকেই সাহিত্য ও সৃজনশীল সবধরনের কাজের সাথে জড়িত ছিলেন। ২০১৬ সাল থেকে আওয়াজবিডি ও সাপ্তাহিক আওয়াজবিডির প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশের দায়িত্ব পালন করছেন।শাহ আহমদ বাংলাদেশ ডন-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক।

mujib_100
ads
আমাদের ফেসবুক পেজ
সংবাদ আর্কাইভ