করোনার মধ্যেই যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ায় পার্লামেন্ট নির্বাচন

সিরিয়ায় পার্লামেন্ট নির্বাচন

যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। করোনার মহামারীর মধ্যেই রোববারের এ নির্বাচনে ভোট দিয়েছে দেশটির ভোটাররা। নির্বাচন হয়েছে প্রধানত প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা অঞ্চলগুলোয়। অংশও নিয়েছে বাশার অনুগতরাই। এ কারণে নির্বাচনের বৈধতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

২০১১ সালে সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরুর পর এটি দেশটিতে তৃতীয় সাধারণ নির্বাচন। ৭ হাজার ৪০০ ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হয়। স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয় ভোটগ্রহণ।

সরকারের পুনর্দখলকৃত পূর্বাঞ্চলীয় ঘৌটা ও ইদলিব প্রদেশের দক্ষিণাঞ্চলেও ভোট হয়েছে। রাশিয়ার সমর্থনে একের পর এক সামরিক বিজয়ের পর দেশের প্রায় ৭০ ভাগ এলাকাই এখন বাশার সরকারের নিয়ন্ত্রণে। নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজধানী দামেস্কে বোমা হামলার ঘটনাও ঘটে। এতে একজন নিহত ও অপর একজন আহত হয়।

দীর্ঘ ২০ বছর ধরে সিরিয়ার ক্ষমতায় আছেন রাশিয়া ও ইরান সমর্থিত বাশার আল আসাদ। এবারের নির্বাচনেও দৃশ্যত তার বাথ পার্টি নিরঙ্কুশ জয় নিয়ে ক্ষমতায় ফিরতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অনেকটা একদলীয় নির্বাচন হওয়ায় দীর্ঘ গৃহযুদ্ধ ও অর্থনৈতিক সংকট আসাদের বিজয় নিশ্চিতে কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারবে না বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে।

এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন দুই হাজারেও বেশি প্রার্থী। এদের মধ্যে মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় থাকা একাধিক ব্যবসায়ীও রয়েছেন। গত এপ্রিলেই এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে করোনা পরিস্থিতির ফলে দুই দফা নির্বাচন পেছাতে হয়েছে।

এর আগে সর্বশেষ ২০১৬ সালের নির্বাচনে বাথ পার্টি এবং দলটির মিত্ররা ২৫০ আসনের পার্লামেন্টে ২০০টি আসনে বিজয়ী হয়। বাকি আসনগুলোয় জয় পান স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

এসএম/আওয়াজবিডি

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
https://www.awaazbd.net/author/awaazbdonlinenews

অনলাইন ডেস্ক

ads