আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন, করোনা-যুদ্ধে আমরাই জিতবো: ইউএনও শুক্লা সরকার

ইউএনও

নিজের পরিবার, দেশ ও জাতীর স্বার্থে সবাইকে ঘরে থাকার অনুরোধ করে নারায়ণগঞ্জ বন্দর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শুক্লা সরকার বলেন, মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সবাইকে সামাজিক ও শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখার কোনো বিকল্প নেই। কারণ মরন ঘাতক করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক এখনো পাওয়া যায়নি। তবে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্কতা ও সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে। বৈশ্বিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।


শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে নিজ কার্যালয়ে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ইউএনও শুক্লা সরকার। এসময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃইব্রাহীম খলিল উপস্থিত ছিলেন।


ত্রাণ-সাহায্য বিতরণে অনিয়ম ঠেকাতে প্রশাসন, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও সেচ্ছাসেবীদের সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবে না জানিয়ে তিনি আরো বলেন, সংক্রমণ ঠেকাতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি। তাই নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখার পাশাপাশি জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বাইরে ঘুরাঘুরি না করা। মনে রাখতে হবে জনসাধারণের স্বার্থে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন চিকিৎসক, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও সংবাদকর্মীরা। ইতিমধ্যে অনেকেই আক্রান্ত হয়েছেন।তারপরও দেশের এমন মহাসংকট থেকে সবাইকে ভালো রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট সবাই।পবিত্র মাহে রমজানের মাসে সিয়াম সাধনার মধ্য দিয়ে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে প্রার্থনা করতে হবে। সবাইকে মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন,যেকোনো অভিযোগ বা পরামর্শ থাকলে সরাসরি আমাকে জানান। সাধ্যমতো ব্যাবস্থা গ্রহণ করার চেষ্টা করবো। অযথা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ও গুজব ছড়িয়ে জনমনে নেতিবাচক বিভ্রান্তি ছড়াবেননা। এমন অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি নিজনিজ অবস্থান থেকে সবাই সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাচ্ছেন। শুরু থেকেই স্থানীয় সাংসদ একেএম সেলিম ওসমানের ব্যাক্তিগত তহবিলের চাল ও বেসরকারি উদ্যোগে কিছু খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। দেশের মহা সংকটে এগিয়ে এসেছেন একাধিক মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক ব্যাক্তি এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। ইতিমধ্যে ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রনালয় থেকে প্রাপ্ত ১০১.৯০ মেট্রিক টন খাদ্য সামগ্রী উপজেলার ৫ টি ইউনিয়ন পরিষদের কর্মহীন দরিদ্র মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া শিশু খাদ্য ক্রয়ের জন্য ১ লাখ ৩০ টাকা ও হত-দরিদ্র পরিবারের খাদ্য সামগ্রী ক্রয়ের জন্য ৪ লাখ ৪২ হাজার টাকা পাওয়া গেছে।

রবিবার (২৬ এপ্রিল) থেকে শিশু খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হবে জানিয়ে তিনি আশাবাদী কন্ঠে বলেন, আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন, ইনশাআল্লাহ, করোনার বিরুদ্ধে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জয়ী হবো আমরা।

আরএইচ/আওয়াজবিডি


মাহফুজ জাহিদ
মাহফুজ জাহিদ
https://www.awaazbd.net/author/awaaz_officlal
mujib_100
ads
আমাদের ফেসবুক পেজ
সংবাদ আর্কাইভ